ক্লাস টু-তে পড়ার সময় অনেকদিন পর্যন্ত আমার পাশের ডেস্কে বসতো মার্জিয়া। ছোট বাচ্চাদের ক্লাসে যেমন হয়, আলাদা আলাদা ডেস্ক-টুলে বসে সবাই, বেঞ্চ ভাগাভাগির আনন্দটা নেই। তবু ওর সঙ্গে আমার অন্যরকম বন্ধুত্ব হয়ে গেলো। এর কারণ দু'টো। প্রথমতঃ খাতাটা একটু কোণাকুণি করে না ধরলে ঠিকমতো লিখতে পারতাম না, তাই বসতামও সেভাবে; বাঁ দিকে বসা মার্জিয়ার কর্মকাণ্ডের খুব কমই আমার নজর এড়াতো। দ্বিতীয়তঃ ভোরের অ্যাসেম্বলি শুরুর আগে,টিফিন পিরিয়ডে, কিংবা ছুটির পর ও আমাকে অনেক কিছু শেখাতো। কোন্ আঙ্গুলে আড়ি আর কোন্ আঙ্গুলে ভাব হয়, জন্মের আড়ি দিলে আর ভাব করা যায় কিনা- শিশুকালের এমন সব গুরুত্বপূর্ণ রীতিরেওয়াজের হাতেখড়ি আমার ওর কাছেই। শৈশবকালীন রিচুয়াল বিষয়ে বান্ধবীর অজ্ঞতায় সে খুবই বিরক্ত হতো, চট্টগ্রামের আঞ্চলিক প্রভাবযুক্ত উচ্চারণে "তুমি জানোনা যে..." বলে আবার খুশী মনে সেটার ব্যাখ্যা দিতো। হাসপাতাল থেকে আম্মু ওর জন্য ভাইয়াবাবু নিয়ে আসবে, ওর সাত বছরের জন্মদিনে ওদের বাসায় লাইটিং করা হবে- এই দু'টো গল্প বার বার করতো।
একদিন আমাদের ইংরেজি বানান আর শ্রুতিলিখনের ক্লাসটেস্ট হলো, পরীক্ষার পর টিচার ঠিক করলেন
সাম্প্রতিক মন্তব্য
২ দিন ১১ ঘণ্টা আগে
৩ দিন ১২ ঘণ্টা আগে
৪ দিন ২ ঘণ্টা আগে
৪ দিন ৭ ঘণ্টা আগে
৫ দিন ৯ ঘণ্টা আগে
৬ দিন ১৯ ঘণ্টা আগে
১ সপ্তাহ ১ ঘণ্টা আগে
১ সপ্তাহ ১২ ঘণ্টা আগে
১ সপ্তাহ ১২ ঘণ্টা আগে
১ সপ্তাহ ১৮ ঘণ্টা আগে