সমাজ

অটিজম সচেতনতা: প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ

যে কারণেই হোক না কেন, বাংলাদেশে আমাদের চারপাশের পরিবেশ মূলধারার স্বাভাবিক শিশুদের জন্যই খুব একটা বন্ধুসুলভ নয়। এ অবস্থায় সন্তানের অটিজম থাকলে বাবামায়েরা বাড়তি দুশ্চিন্তায় পড়েন। রাস্তাঘাটে, পাবলিক প্লেইসে, যানবাহনে অধিকাংশ অচেনা লোকজন অটিজম আছে এমন শিশু বা পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তির অস্বাভাবিক আচরণের প্রতি বিন্দুমাত্র বিবেচনাবোধ দেখান না। সহৃদয়তা তো বহু দূরের কথা। অসহিষ্ণু মন্তব্য, উপহাস, বিরক্তি কোনকিছুই দেখাতে কার্পণ্য করেন না। শারীরিক আঘাতের ঘটনাও ঘটে। উন্নত দেশগুলোতে শিশুর সঙ্গে রাখা বিশেষ কার্ড দেখিয়ে অনেক জায়গায় আশেপাশের মানুষকে জানিয়ে দেয়া যায় যে এই শিশুটির অটিজম আছে, তার কাছ থেকে কিছু ব্যতিক্রমী আচরণে অন্যদের সহনশীলতা কাম্য। কিন্তু আমাদের মতো জনবহুল এবং সচেতনতার অভাবগ্রস্ত দেশে এই অবস্থা আসতে এখনও অনেক দেরী বলেই অনুমান করতে পারি। আমরা সাধারণ সুস্থ মানুষেরা তাদের দুর্বলতার বিষয়টিই উপলব্ধি করতে পারিনা। এটার নাম দেয়া হয়েছে হিডেন ডিজেবিলিটি; কারণ এখানে অক্ষমতাটা প্রকাশ্য নয়। আমাদের দেশীয় প্রেক্ষাপটে দুর্বল কাউকে সম্মান করার সংস্কৃতি এখনও গড়ে উঠেনি।

যখন পরিবারে একটি

নিপীড়ক শিক্ষক এবং নীতিমালার যৌক্তিকতা: মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া

(এই লেখাটি সামহোয়ারইন ব্লগে প্রকাশিত একটি পোস্ট)

বিশ্ববিদ্যালয়ের নিপীড়ক শিক্ষকের সাজা চেয়ে বেশকিছু সুলিখিত পোস্ট এসেছে ব্লগে। যেগুলো পড়লাম, কারও সঙ্গে দ্বিমতের সুযোগ নেই। দুটো পোস্টে যথাক্রমে মাহবুব সুমন এবং পারভেজের মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে কিছু লেখার ইচ্ছে হল।

মাহবুব সুমন এবং পারভেজের প্রশ্ন মূলত অভিন্ন। কেন এইসব নিপীড়কের বিচারের জন্য আলাদা নীতিমালা প্রয়োজন হবে?

ভাবছি ধরেই ফেলব

২০০২: কী কন, এদেশে আসছেন আর ম্যাকডোনাল্ড খাবেন না?
২০০৬: অসম্ভব, এই ফ্রুটজুসে তো দেখি ফুড এসিড৩৩০ আছে, হারাম!
২০০৭: বাসে টিকেট করে কে, ট্রামে যাই টিকেট চেকার নাই, দেরী হইলেও নামাজের ওয়াক্ত থাকে।
২০০৮: রিজিকের মালিক আল্লাহ তালা (ডোলের জন্য ভুয়া ব্যাকপেইন দেখানোর দায়িত্ব পালনকারী টুপিদাড়িশোভিত ডাক্তারের উক্তি)।

||১||

সাম্প্রতিক মন্তব্য