মিহি আজ খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠেছে। তার স্কুল মর্নিং শিফটে, প্রতিদিনই তাকে ডাকাডাকি করে টেনেহিঁচড়ে তুলতে হয়, কিন্তু আজকের ব্যাপারটা আলাদা। আজ তার নাচের স্কুলে একটা অনুষ্ঠান আছে, সকাল সকাল সেখানে যেতে হবে। অনুষ্ঠান হলে সাজগোজ করে যেতে হয়, সাজতে খুবই ভালোবাসে মিহি। টিচাররা নোটিসে লিখে দেয় কোন শাড়িটা কেমন করে পরতে হবে, কুঁচি দিয়ে নাকি একপেঁচি করে; সঙ্গে কেমন সাজ, কোন গহনা, চুলে খোঁপা হবে নাকি বেণী এরকম সব কিছু। মায়ের ড্রেসিং টেবিলের সামনে টুলে বসে মিহি খাতা খোলে। "অতিথির আগমনের পূর্বেই উপস্থিত হতে হবে। হাজিরা সকাল সাড়ে আটটা, একাডেমির পূর্ব গেইট। বিনীত অরূপ দত্ত, প্রধান প্রশিক্ষক, নৃত্য শাখা"। অতিথি এলে অনুষ্ঠানের আগে অরূপ স্যার মিতা টিচার সবাই খুব রেগে রেগে কথা বলেন ওদের সঙ্গে। কার খোঁপায় ফুল নেই, কার লিপস্টিকের রং মেলেনি এসব নিয়ে মায়েদের খুব বকাবকি করেন। নাচ শেষ হলে কে কোথায় ভুল করেছে সেটা নিয়ে কথা বলেন। তখন মিহির খুব অবাক

)। নিরবচ্ছিন্ন পাঠের সময় বা মানসিক অবস্থাও হারিয়েছি বহুদিন। তাই ওদের সঙ্গে এক চালানে কিছু আনিয়ে নেব, এমনটা ভাবিনি। তবু একটা বই না আনিয়ে পারিনি। না, পড়ার জন্য না, দেখার জন্য। শুধু হাতে নিয়ে দেখব বলেই যত আকুলতা। যেমনই হোক না কেন, ছাপা-বাঁধাই হওয়া আস্ত একখানা বইতে নিজের একটা লেখা ঠাঁই পেয়েছে; এ দৃশ্য দেখার সৌভাগ্য জীবনে আর নাও হতে পারে।
সাম্প্রতিক মন্তব্য
২ দিন ১১ ঘণ্টা আগে
৩ দিন ১২ ঘণ্টা আগে
৪ দিন ২ ঘণ্টা আগে
৪ দিন ৮ ঘণ্টা আগে
৫ দিন ১০ ঘণ্টা আগে
৬ দিন ২০ ঘণ্টা আগে
১ সপ্তাহ ১ ঘণ্টা আগে
১ সপ্তাহ ১২ ঘণ্টা আগে
১ সপ্তাহ ১৩ ঘণ্টা আগে
১ সপ্তাহ ১৮ ঘণ্টা আগে