আপু তোমার জন্য

আমার একটাই বোন। সোয়া বছরের বড় আপু। ছোটবেলায় খেলনা-পুতুল-রংপেন্সিল কাড়াকাড়ির আপু। মায়ের হাতের দুধভাতে ভাগ বসানো আপু। বাবার ভয়ে কাঁটা হয়ে আমার হাত আঁকড়ে ধরা আপু।

এইসিমেট্রিক

১.
আজ ভোরে ঘুম ভাঙল ঠিকা বুয়ার সঙ্গে মায়ের বাহাসে। প্রতিদিনই তার দেরী হয়, একই ব্যাখ্যা প্রতিদিনই, তবু মা সেটা জানতে চায়। দীর্ঘদিন স্কুলের হেডমিস্ট্রেস থাকার অর্জন হল বেশকিছু বদগুণ। যার মধ্যে অন্যতম এই জেরা করার স্বভাব। মাথার নীচ থেকে বালিশটা টেনে মুখের উপর ফেলি। আওয়াজ একটু কমল। আসলে কি মায়ের অর্জন শুধু ঐটুকুই? নাহ্, ভাল কিছুও আছে। এই যে আমি, একটু পরে অফিসে যাব, তার পারিপাট্যের প্রস্তুতি মা নিজ দায়িত্বে করে রাখছেন।

আমার দেখা পূজা: ছোটবেলা বনাম বড়বেলা

আমার ছোটবেলা মানেই আশির দশক। যান্ত্রিক বিনোদনের স্বল্পতার জন্যই কিনা কে জানে, তখন মানুষের হাতে মানুষের জন্য কিছুটা বাড়তি সময় ছিল। মানবিক সম্পর্কের সুতোগুলো এতটা জটিলতায় পাক খায়নি তখনও। ঈদ আর গরমের ছুটিটা বোধহয় একসঙ্গে পড়ত। পূজাতেও বেশ লম্বা একটা ছুটি পেতাম। এসব ছুটিছাটায় বাবামায়ের শাসনমুক্ত পরিবেশে নানাবাড়ীতে দীর্ঘদিন কাটানোর সৌভাগ্য হতো আমার।

আমার নানাবাড়ী নোয়াখালীতে; একটুর জন্য পৌরসভার সীমারেখার ঠিক বাইরে পড়া একটা গ্রামে। সেটা যে হিন্দুপ্রধান; তা তার হরিনারায়ণপুর নামেই স্পষ্ট। সেখানকার এক জমিদার রায়বাহাদুর উপাধি পেয়েছিলেন বৃটিশরাজের দাক্ষিণ্যে। তার বাহাদুরিতে একটা রেলস্টেশনও হয় সেই গ্রামে; অথচ এর কাছেই মাইজদী কোর্ট স্টেশনটা বেশী হলে তিনচারশ গজ দূরে। চট্টগ্রাম থেকে কোন চড়নদারের হাওলায় লাকসামে ট্রেন বদল করে সেই ছোট্ট স্টেশনে এসে নামতেই দেখতাম নানার সঙ্গে আমার স্থানীয় বন্ধুকুল কয়েকঘন্টা ধরে অপেক্ষায়। ক্লান্ত মুখগুলোতে উপচে পড়া হাসি। এদের দুএকজন আমার লতা-পাতা কাজিন; বাকীরা অনাত্মীয় প্রতিবেশী, যাদের বেশীরভাগই হিন্দু পরিবারের।

প্রতিবছর দুর্গাপূজার বেশ কিছুদিন আগে থেকে ঐ বন্ধুদের প্র

টিউলিপ মেলা

মেলবোর্ন শহর থেকে ৭০ কিমি দূরে মনবাল্ক নামে একটা জায়গায় প্রতিবছর এই সময়ে টিউলিপ ফেস্টিভ্যাল হয়। চলুন ঘুরে আসি।

tlp01.jpg tlp02.jpg tlp03.jpg

ঈদ শপিং: স্মৃতির হাবিজাবি

রোজা তো শেষের পথে, কী কিনলেন? বাজেট কেমন এবার? কোথায় কেনাকাটা করছেন? ভাইয়া কী দিল তোমাকে?...
এজাতীয় প্রশ্নের মৌসুম এখন। ব্যক্তিগত জীবনে স্বল্প-চাহিদার সামান্য মানুষ; সামর্থ আরও কম। এসবে আমার আগ্রহ থাকার কারণ নেই। তারপরও কীভাবে যেন এগুলো জীবনযাপনের অংশ হয়ে যায়...

০১.

This site has Unicode encoded Bangla texts. For best viewing, use Falgunee or AponaLohit font. Download any of these fonts and copy to your Windows\Fonts directory. You might need to set the font in the Preference or Options box of the browser software.

সাম্প্রতিক মন্তব্য