আমার ছোটবেলা মানেই আশির দশক। যান্ত্রিক বিনোদনের স্বল্পতার জন্যই কিনা কে জানে, তখন মানুষের হাতে মানুষের জন্য কিছুটা বাড়তি সময় ছিল। মানবিক সম্পর্কের সুতোগুলো এতটা জটিলতায় পাক খায়নি তখনও। ঈদ আর গরমের ছুটিটা বোধহয় একসঙ্গে পড়ত। পূজাতেও বেশ লম্বা একটা ছুটি পেতাম। এসব ছুটিছাটায় বাবামায়ের শাসনমুক্ত পরিবেশে নানাবাড়ীতে দীর্ঘদিন কাটানোর সৌভাগ্য হতো আমার।
আমার নানাবাড়ী নোয়াখালীতে; একটুর জন্য পৌরসভার সীমারেখার ঠিক বাইরে পড়া একটা গ্রামে। সেটা যে হিন্দুপ্রধান; তা তার হরিনারায়ণপুর নামেই স্পষ্ট। সেখানকার এক জমিদার রায়বাহাদুর উপাধি পেয়েছিলেন বৃটিশরাজের দাক্ষিণ্যে। তার বাহাদুরিতে একটা রেলস্টেশনও হয় সেই গ্রামে; অথচ এর কাছেই মাইজদী কোর্ট স্টেশনটা বেশী হলে তিনচারশ গজ দূরে। চট্টগ্রাম থেকে কোন চড়নদারের হাওলায় লাকসামে ট্রেন বদল করে সেই ছোট্ট স্টেশনে এসে নামতেই দেখতাম নানার সঙ্গে আমার স্থানীয় বন্ধুকুল কয়েকঘন্টা ধরে অপেক্ষায়। ক্লান্ত মুখগুলোতে উপচে পড়া হাসি। এদের দুএকজন আমার লতা-পাতা কাজিন; বাকীরা অনাত্মীয় প্রতিবেশী, যাদের বেশীরভাগই হিন্দু পরিবারের।
প্রতিবছর দুর্গাপূজার বেশ কিছুদিন আগে থেকে ঐ বন্ধুদের প্র
সাম্প্রতিক মন্তব্য
৪ দিন ১২ ঘণ্টা আগে
৫ দিন ১২ ঘণ্টা আগে
৬ দিন ৩ ঘণ্টা আগে
৬ দিন ৮ ঘণ্টা আগে
১ সপ্তাহ ১০ ঘণ্টা আগে
১ সপ্তাহ ১দিন আগে
১ সপ্তাহ ২ দিন আগে
১ সপ্তাহ ২ দিন আগে
১ সপ্তাহ ২ দিন আগে
১ সপ্তাহ ২ দিন আগে